1. info@doinikvhorerdhani.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@doinikvhorerdhani.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৯:৪২ অপরাহ্ন

পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগে কর্মরত স্বামী-স্ত্রী দুর্নীতির মাধ্যমে হয়েছে অঢেল সম্পত্তির মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১২২ বার পঠিত

পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের আবু মোশারফ হোসেন ও তার স্ত্রী মেরীনা সুলতানা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভূয়া নিয়োগ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। সম্প্রতি বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলায় বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতি, নারী সহকর্মীদের সাথে অসদাচরণ ও সম্মানহানির দায়ে মোশারফকে চাকুরি হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে দুর্নীতি দমন কমিশন পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, মোশারফ মাগুরায় কর্মরত থাকাকালীন পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের নারী কর্মীদের জিপিএফ’র টাকা, ভ্রমণ ভাতা ও বেতনের টাকাও আত্মসাৎ করেছে। হাতে হাতে অর্থ প্রদান করায় সে বড় অংকের ঘুষের টাকা কেটে রেখে বাকী অর্থ ওই ব্যক্তিকে প্রদান করতেন। পেনশন, জিপিএফ’র চূড়ান্ত বিল পরিশোধের সময় লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও চাকুরি দেয়ার নামে অনেক ব্যক্তিকে ঠকিয়ে ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। এর মধ্যে তিনি নিজে ভুয়া নিয়োগপত্র ও বদলি অর্ডার তৈরি করে কয়েকজনকে চাকুরি দেয়। চাকুরি স্থায়ী করার সময় মাগুরার বিউটি আক্তার আয়া ও ওমর ফারুককে নিরাপত্তা প্রহরী পদে ভুয়া নিয়োগপত্র ও বদলির অর্ডারের বিষয়টি ধরা পড়ে। এতে করে তাদের চাকুরি চলে যায়। তাদের দু’জনকে চাকুরি দিতে ১৬ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে ভুয়া চাকুরি দিয়েছিলেন। পরে টাকা ফেরত চেয়ে বিউটি আক্তার আয়া মোশারফের বিরুদ্ধে মাগুরার আদালতে একটি মামলা করেন এবং বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কাছেও অভিযোগ দেন। অপর ভুক্তভোগী ওমর ফারুককে মোশারফ ও মেরীনা টাকা ফেরত চাইলে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে মাগুরা থেকে বিতাড়িত করেন। তাদের দুর্নীতির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয় জনগণ ও বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বহুবার অভিযোগ দায়ের করলেও তাদের অবৈধ ক্ষমতার কাছে সব অভিযোগই অদৃশ্য হয়ে যায়।
আরও জানা যায়, দুর্নীতির মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী মাগুরা পুলিশ লাইন্সের পাশে, মাগুরা স্টেডিয়ামের কাছে মাগুরা ডায়না মোড়ে, আলমাখালী গ্রামে, ধলহারা গ্রামের তার শ^শুরবাড়িতে প্রচুর পরিমাণে জমি কিনেছেন। যার বাজার মূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা। মাগুরা শহরেই তার রয়েছে তিনটি বাড়ি। যার বাজার মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। আর ভাড়া পায় মাসিক ২ লাখ টাকা। তাদের সহায়তা করেন মোশারফের বড় ভাই হাফিজ। যিনি মাগুরা জেলা অফিসে ৩০ বছর কর্মরত ছিলেন। তিনিই মোশারফ ও মেরীনার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও তা ধামাচাপা দেন। এতে করে তাদের সকল অপকর্ম ঢাকা পড়ে যায়। এছাড়াও তাদের দুই সুন্দরী মেয়ে নাশীন মোশারফ ও আফ্রাদিত্য মোশারফ পার্বনকে দিয়েও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তদ্বির করান। যাতে তাদের অপকর্ম ঢাকা পড়ে যায়।
সম্প্রতি বেশ কয়েকজন সাহসী কর্মকর্তা মোশারফকে দুর্নীতির দায়ে বরখাস্ত ও মেরীনাকে সহকারীর চাকুরিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেন। কিন্তু তারা বর্তমানে স্বাস্থ্য সচিব ও অতিরিক্ত সচিবকে (প্রশাসন) ব্যবহারের চেষ্টা করছেন বলে জানা যায়।

ক্যালেন্ডার বাংলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
Design By Raytahost